আজ সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন

Logo
করোনায় নৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পৃথিবী: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনায় নৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পৃথিবী: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অলনাইন ডেস্ক:

করোনা ভ্যাকসিনের অসম নীতিমালার কারণে বড় ধরনের নৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে পৃথিবী, এই সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মঙ্গলবার সংস্থাটির প্রধান টেড্রস অ্যাডানেম গ্যাব্রিয়েসুস এই হুঁশিয়ারি দেন। সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের ১৪৮তম সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

তিনি বলেন, বিশ্বের ৪৯টি ধনী দেশ এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি ডোজ টিকা পেয়েছে। তার বিপরীতে দরিদ্র দেশগুলো পেয়েছে মাত্র ২৫টি ডোজ।

করোনা ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোর প্রবীণ মানুষদের আগেই যদি ধনী দেশগুলেোর তরুণরা টিকা পান, তাহলে তা ন্যায়সঙ্গত হবে না বলে মন্তব্য করেন গ্যাব্রিয়েসুস।

তিনি বলেন, এখন অবধি চীন, ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যেকেই ভ্যাকসিন উদ্ভাবন ও উৎপাদন করেছে। এছাড়া অন্যান্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথেও ভ্যাকসিন তৈরি করেছে তারা।

সেই ভার্চুয়াল সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্যানেলের তৈরি করা এই অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দেখিয়েছে, ধারণার ভুল, পরিকল্পনার ত্রুটি এবং পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব- এমনকি খোদ ডব্লিউএইচওর ভুল পদক্ষেপ কীভাবে মহামারীর বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে, কেড়ে নিয়েছে ২০ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ।

মহামারী মোকাবেলার প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ে সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত এই স্বাধীন প্যানেল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, সামগ্রিকভাবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি, মানুষের জন্য একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেষ্টা করতে পারিনি।

অনেক দেশে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী না পাওয়া এবং বড় পরিসরে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে না পারার মত ব্যর্থতাগুলো বছরজুড়ে চলা করোনাভাইরাসের মহামারীর শুরুর দিকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।

ডব্লিউএইচও প্যানেলের প্রতিবেদন বলছে, এই সঙ্কট উত্তরে নেতৃত্ব দেওয়ার, মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব যাদের ওপর ছিল, বার বার তার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

বার বার সতর্ক করার পরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার আর জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ধীর এবং অদক্ষ সাড়াদানে করোনাভাইরাস সঙ্কট কীভাবে একটি বৈশ্বিক ব্যর্থতার নজির হয়ে উঠেছে, সেই চিত্র এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক প্রতিবেদনে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্যানেলের তৈরি করা এই অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দেখিয়েছে, ধারণার ভুল, পরিকল্পনার ত্রুটি এবং পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব- এমনকি খোদ ডব্লিউএইচওর ভুল পদক্ষেপ কীভাবে মহামারীর বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে, কেড়ে নিয়েছে ২০ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ।

মহামারী মোকাবেলার প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ে সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত এই স্বাধীন প্যানেল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, সামগ্রিকভাবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি, মানুষের জন্য একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেষ্টা করতে পারিনি।

অনেক দেশে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী না পাওয়া এবং বড় পরিসরে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে না পারার মত ব্যর্থতাগুলো বছরজুড়ে চলা করোনাভাইরাসের মহামারীর শুরুর দিকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।

ডব্লিউএইচও প্যানেলের প্রতিবেদন বলছে, এই সঙ্কট উত্তরে নেতৃত্ব দেওয়ার, মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব যাদের ওপর ছিল, বার বার তার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক ও লাইবেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এলেন জনসন সারলিফের নেতৃত্বে গঠিত এই প্যানেল এখনও তাদের কাজ শেষ করেনি। তবে তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনের খসড়ায় এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, নতুন কোনো রোগের প্রাদুর্ভাবে সাড়া দেওয়ার কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিশ্বকে নতুন করে ভাবতে হবে।

মহামারীর সতর্কতা জারির ক্ষেত্রে শ্লথ গতি ও অস্পষ্টতা, প্রস্তুতির বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করা পরিকল্পনা সময়মত বাস্তবায়ন করতে না পারা, সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক দেশের সরকারে সমন্বয়ের অভাব এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি- এরকম এক একটি ব্যর্থতা কী করে আরেকটি ব্যর্থতা ডেকে এনেছে, সেই বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে এই খসড়ায়।

কভিড-১৯ মহামারীতে বিশ্বের সাড়াদান পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রস অ্যাডানেম গ্যাব্রিয়েসুস এই স্বাধীন প্যানেল গঠন করেন।

প্যানেল বলেছে, এই খসড়া প্রতিবেদন তারা তৈরি করেছে শত শত নথিপত্র পর্যালোচনা করে, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে। সামনের সারিতে থাকা শতাধিক ব্যক্তির সাক্ষাৎকারও সেজন্য নেওয়া হয়েছে।

সূত্র-ইনডিপেনডেন্ট টিভি


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact