আজ বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২১ অপরাহ্ন

Logo
সংবাদ শিরোনাম:
দেশে করোনা একদিনে মৃত্যু ৯৬জনের, এনিয়ে মৃতের সংখ্যা ৯৯৮৭জন লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌ-রুটে ফেরী চলাচল ব্যাহত, দুই পাড়ে ৫শ গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় দেশজুড়ে সর্বাত্মক লকডাউন আজ পহেলা বৈশাখ,উৎসবহীন নতুন বছর কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নোয়াখালী পৌরসভার উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ বৈশাখ উদযাপন ঘরেই, জীবনের মূল্যই বেশি: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী কমলনগরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ মহাসড়কের যানজট,ঢাকা ছাড়ছে মানুষ মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবনে হাহাকার আর ত্রাহি অবস্থা বিরাজ করছে: ফখরুল বিএনপি এখন সন্ত্রাস ও গুজবনির্ভর রাজনীতির চর্চা করছে: ওবায়দুল কাদের
জাটকা সংরক্ষন-ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে মেঘনায় ২মাস সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ

জাটকা সংরক্ষন-ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে মেঘনায় ২মাস সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক.লক্ষ্মীপুর:
জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল ২মাস মেঘনা নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময়ে বরাদ্ধকৃত চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করার দাবী জানান জেলেরা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ,উপজেলা-জেলা প্রশাসন,পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাধ ধরা বন্ধ থাকায় নদীরকূলে জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেঘনা পাড়ের জেলেরা।
জেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানায়, জেলায় প্রায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩ হাজার জেলে নিবন্ধিত রয়েছে। এসব জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ২মাস নদীতে সকল ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১শ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ এক”শ কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। এসময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষন, আহরন, পরিবহন, বাজারজাত করন ও মজুদকরন নিষিদ্ধ রয়েছে। জেলেদেরকে সচেতন করার জন্য নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোষ্টারিংসহ সকল ধরনের প্রচারনা অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞার সময় মার্চ-এপ্রিল ২মাস পর্যন্ত প্রতি জেলেকে ৪০ কেজি হারে খাদ্য সরবরাহ করা হবে।

জেলে রহিম, আবুল কালাম ও আড়ৎদার লিটনসহ অনেকে জানান,জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্য সরকার যে নিষোজ্ঞা দিয়েছে সেটা মেনে জেলেরা নদীতে যাবেনা বলে ঘোষনা দিয়েছেন। জেলেদের পূর্নবাসন করার কথা সেটা এখন পর্যন্ত হয়ন্।ি যে পরিমান জেলে রযেছে, সে পরিমান সরকারী খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়না। এসব অসহায় জেলে বারবার নদীভাঙ্গন ও বিভিন্ন প্রতিকূলতা এবং বারো মাসে নদীতে অভিযান চালিয়ে জাল পুড়ে নষ্ট করে।

যারা জাল তৈরির করে,তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়না। এ সময়ে জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত যেন তা পেতে পারে সেটা নিশ্চিত করার দাবী জানান। গত বছরের অভিযান সফল হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন কয়েকগুন বেড়েছে। এবারও অভিযান সফল হলে অধিক পরিমান ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন জানান,আালেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনলের একশ কিলোমিটার এলাকায় মাচ-এপ্রিল মাসে ইলিশের পোনা জাটকার প্রচুর্য দেখা দেয়। এ জন্য এ এলাকায় জাটকা বড় হওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য এ দুই মাস নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ট্রান্সফোর্স কমিটির সভায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট,পুলিশ,কোষ্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আশা করি প্রধান প্রজনন মৌসুমে যেভাবে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে পেরেছি। এখনও তা বন্ধ রাখতে সক্ষম হব। এ সময়ে প্রতি জেলেকে জন্য ৮০ কেজি হারে খাদ্য সয়ায়তা দেয়া হবে। জেলেরা আগের চেয়ে অনেক সচেতন। এ সম্পদ তাদের,এটা তাদের উপকারে আসবে। এটা বুজতে পেরেছে তারা। এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে,তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact