আজ শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০১:১৮ অপরাহ্ন

Logo
সংবাদ শিরোনাম:
স্পুটনিক ভি ১ ডোজই যথেষ্ট: দাবি রাশিয়ার লক্ষ্মীপুরে ব্যাক্তি উদ্যোগে ৭ দিনের খাবার পেল ২ হাজার পরিবার আসন্ন মহামারিটি ধ্বংসাত্মক হবে বলে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল লক্ষ্মীপুরে ২৯ হাজার হতদরিদ্র পরিবার দূনীর্তির অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় লক্ষ্মীপুরে রামগতি উপজেলা চেয়ারম্যান পূর্নবহাল লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার,স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা ক্রেতা-বিক্রেতা লক্ষ্মীপুরে থানার ওসির কাছে মাদক ব্যবসা না করার প্রতিশ্রুতি,ফুল দিয়ে বরণ লক্ষ্মীপুরে আশ্রয়নকেন্দ্র অগ্নিকান্ডে পুড়ে গেছে ৮টি ঘর লক্ষ্মীপুরে সড়ক দূর্ঘটনা যুবলীগ নেতা নিহত,আহত-এক স্বাস্থ্যবিধি মনে চলুন,সরকার আপনাদের পাশে আছে: প্রধানমন্ত্রী
লকডাউনে লক্ষ্মীপুরে শ্রমজীবি মানুষের দূভোর্গ

লকডাউনে লক্ষ্মীপুরে শ্রমজীবি মানুষের দূভোর্গ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরে হাট-বাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সব বন্ধ। পাকা রাস্তাঘাট। এতে করে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষজন। সবচেয়ে বেশি দুচিন্তায় পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষেরা। তাদের দাবী, অনেকেই সরকারী খাদ্য সহায়তা এখনো পাইনি, আবার যারা পেয়েছেন,তাও আবার পর্যাপ্ত নয়। জেলা প্রশাসক বলছেন, ইতিমধ্যে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। তালিকা তৈরি শেষ হলে তা বিতরন করা হবে।

লক্ষ্মীপুর পৌর শহরে রিক্্রা চালক হাশেম মিয়া। সদর উপজেলার চররুহিতার কাঞ্চনী বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিন সন্তান নিয়ে চলে তার সংসার। প্রতিদিন ভাড়াই রিক্্রা চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে হয় তাকে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারনে পুরো জেলায় দোকান পাট ও রাস্তাঘাট বন্ধ। ঘর থেকে বের হলেই আইনশংখলা বাহিনীসহ প্রশাসনের তোপের মুখে পড়তে হয়। অন্য কোন কাজ না থাকায় তারপরও ঘর থেকে বের হতে হয় তার। কিন্তু সরকারীভাবে যে পরিমান খাদ্য সহায়তা পাওয়ার কথা। কিন্তু পাইনি। একই অবস্থায় শহরের মান্দারী বাজারের বাসিন্দা হতদরিদ্র নুর মিয়া, চররমনীর কাশেম মিয়া ও চরংশীর ছকিনা বেগম,আয়েশা বেগমসহ কয়েক হাজার শ্রমজীবি ও খেটে খাওয়া এসব মানুষের।

তাদের দাবী, দোকানপাট,রাস্তাঘাট বন্ধ থাকায় হাজার হাজার খেটে খাওয়া শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছে। সেই সঙ্গে জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত মানুষজন বাসা থেকে বের না হবার কারণে রিক্সা ও ইজি বাইক চালকরা গাড়ী নিয়ে বের হলেও যাত্রী পাচ্ছেন না। এছাড়া রাস্তাসহ অন্য জায়গায় কাজ করে সংসার চললেও এখন সব বন্ধ। ফলে কিভাবে সংসারে খরচ যোগাবেন তা নিয়ে দুচিন্তায় পড়েছেন। অনেকেই সরকারী খাদ্য সহায়তা এখনো পাইনি, আবার যারা পেয়েছেন,তাও আবার পর্যাপ্ত নয়। তা আরো বাড়িয়ে দেয়ার দাবী তাদের।

জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলছেন, জেলার ৫৮টি ইউনিয়নের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য মানবিক সহয়তার জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ভিজিএফের প্রতিকার্ডের বিপরীতে ৪শ ৫০ টাকা করে বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা শেষে এসব বরাদ্ধকৃত অর্থ ও চাল বিতরন করা হবে।


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact