আজ শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০২:১০ অপরাহ্ন

Logo
সংবাদ শিরোনাম:
স্পুটনিক ভি ১ ডোজই যথেষ্ট: দাবি রাশিয়ার লক্ষ্মীপুরে ব্যাক্তি উদ্যোগে ৭ দিনের খাবার পেল ২ হাজার পরিবার আসন্ন মহামারিটি ধ্বংসাত্মক হবে বলে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল লক্ষ্মীপুরে ২৯ হাজার হতদরিদ্র পরিবার দূনীর্তির অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় লক্ষ্মীপুরে রামগতি উপজেলা চেয়ারম্যান পূর্নবহাল লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার,স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা ক্রেতা-বিক্রেতা লক্ষ্মীপুরে থানার ওসির কাছে মাদক ব্যবসা না করার প্রতিশ্রুতি,ফুল দিয়ে বরণ লক্ষ্মীপুরে আশ্রয়নকেন্দ্র অগ্নিকান্ডে পুড়ে গেছে ৮টি ঘর লক্ষ্মীপুরে সড়ক দূর্ঘটনা যুবলীগ নেতা নিহত,আহত-এক স্বাস্থ্যবিধি মনে চলুন,সরকার আপনাদের পাশে আছে: প্রধানমন্ত্রী
নিষেধাজ্ঞার দুইমাস পর মেঘনায় মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলেরা

নিষেধাজ্ঞার দুইমাস পর মেঘনায় মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিষেধাজ্ঞার ২ মাস পর লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলেরা। তাই জাল ও নৌকাসহ সব ধরনের কাজ সেরে নিতে মাছঘাটগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। তবে অভিযান সফল দাবী করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, গত বছরের চেয়ে এবার মাছের উৎপাদন বাড়বে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২৫ হাজার মে.টন। যাহা গত বছরের চেয়ে ৫ হাজার মে.টন বেশি।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানা যায়, জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনাল এলাকার ১শ’ কিলোমিটার পর্যন্ত মার্চ-এপ্রিল দুই মাস ইলিশসহ সকল ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল মৎস্য বিভাগ। এসময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষন, আহরন, পরিবহন, বাজারজাত করন ও মজুদকরনের ওপর ছিল নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞার দুই মাস মার্চ-এপ্রিল এবং পরের মে-জুনসহ চার মাস প্রতি জেলেকে ৪০ কেজি হারে ভিজিএফের চাল বরাদ্ধ দিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে দুই মাসের ভিজিএফের চাল পেলেও অন্য দুই মাসের চাল এখনো পায়নি বলে অভিযোগ করেন জেলেরা। এছাড়া অনেক জেলে বরাদ্ধকৃত চাল এখনো পাইনি বলে অভিযোগ করেন। ৩০ এপ্রিল মধ্য রাত থেকে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। এই জেলায় প্রায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। সবাই মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে।

প্রতিবছর নদীতে অভিযান চলে। জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্য এবারের অভিযান সফল হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার সময় ও পরের মে-জুনসহ ৪ মাস প্রতি জেলেকে ৪০ কেজি হারে ভিজিএফের চাউল দেয়া হয়। কিন্তু অনেক জেলে বরাদ্ধকৃত চাউল পায়নি বলে অভিযোগ করেন জেলেরা। বরাদ্ধকৃত চাউল আতœসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে ৩০ এপ্রিল মধ্যে রাতে। এরপর থেকে আবারও পুৃরোদমে নদীতে মাছ ধরা শুরু হবে। তাই নৌকা ও জালসহ অন্যান্য কাজ সেরে নিয়ে নদীতে মাছ ধরার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

এবারের অভিযান সফল দাবী করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন জানান, গত বারের চেয়ে এবার মাছের উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া দুই মাসের অভিযানে বেশ কয়েকজন জেলেকে জেল জরিমানা ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভবিষৎতে তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করেন তিনি। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২৫ হাজার মে.টন। যাহা গত বছরের চেয়ে ৫ হাজার মে.টন বেশি।

জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ জানান, সরকারের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে জেলা-উপজেলা প্রশাসন,কোষ্টগার্ড,নৌ-পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয় করে ট্রান্সর্পোট গঠন করে নদীতে অভিযান অব্যাহত ছিল। অভিযান সফল হওয়ায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া প্রতি জেলের জন্য সরকারীভাবে ভিজিএফের যে চাল বরাদ্ধ ছিল। সেটি সঠিকভাবে যেন জেলেরা পায়,জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে। এরপর কোন ধরনের স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম হলে সে বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact