আজ সোমবার, ০৩ মে ২০২১, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

Logo
সংবাদ শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার,স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা ক্রেতা-বিক্রেতা লক্ষ্মীপুরে থানার ওসির কাছে মাদক ব্যবসা না করার প্রতিশ্রুতি,ফুল দিয়ে বরণ লক্ষ্মীপুরে আশ্রয়নকেন্দ্র অগ্নিকান্ডে পুড়ে গেছে ৮টি ঘর লক্ষ্মীপুরে সড়ক দূর্ঘটনা যুবলীগ নেতা নিহত,আহত-এক স্বাস্থ্যবিধি মনে চলুন,সরকার আপনাদের পাশে আছে: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বাস চালুর দাবিতে বিক্ষোভ লক্ষ্মীপুরে চিরনিদ্রায় সাংবাদিক ফয়সল নিষেধাজ্ঞার দুই মাস পর মেঘনায় মাছ ধরতে গিয়ে খালি হাতে ফিরছে জেলেরা লক্ষ্মীপুরে হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ উপহার দিলেন পৌর মেয়র লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মাসুম ভূঁইয়ার ইফতার
লক্ষ্মীপুরে থানার ওসির কাছে মাদক ব্যবসা না করার প্রতিশ্রুতি,ফুল দিয়ে বরণ

লক্ষ্মীপুরে থানার ওসির কাছে মাদক ব্যবসা না করার প্রতিশ্রুতি,ফুল দিয়ে বরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মাদক ব্যবসা ও সেবন না করার প্রতিশ্রুতিতে গদাধর দাস নামের এক যুবককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। গতকাল দুপুরে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমন তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। গদাধর রামগতি পৌরসভার চরডাক্তার এলাকার কর্ণধর চন্দ্র দাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে গদাধরের বিরুদ্ধে থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলোতে তিনি জামিনে রয়েছেন। কিন্তু তিনি আর মাদক ব্যবসা ও সেবন করবেন না বলে ওয়াদা করেছেন। গতকাল দুপুরে রামগতি পৌরসভার কাউন্সিলর তাপস চন্দ্র দাস, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর গীতা রানী দাস ও গদাধর স্ত্রীসহ থানায় আসেন। মাদক ব্যবসা থেকে সরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিতে গদাধরকে থানাফ ওসি ফুল দিয়ে বরণ করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গদাধর দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িত। বেশ কয়েকবার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকায় পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা তাকে পছন্দ করত না। বিভিন্নভাবে তাকে হেনস্তা হতে হয়েছিল। শনিবার (১ মে) নিজেকে শুধরে নেবেন বলে পবিত্র গীতা ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেন।

একই সঙ্গে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও স্থানীয় কাউন্সিলরদের কাছে ক্ষমা চেয়ে মাদক থেকে দূরে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। দুই ছেলের কাছেও গদাধর ওয়াদা করেছেন, আর কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত হবেন না। গদাধর দাস বলেন, মাদক আমার জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে। আশপাশের মানুষগুলোও আমার থেকে দূরে থাকে। আমি আর মাদক ব্যবসা করব না। আমি সবার মাঝে ও পাশে থেকে বাঁচতে চাই।

নারী কাউন্সিলর গীতা রানী দাস বলেন, গদাধর বুঝতে পেরেছেন মাদকের জীবন তাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। কারও কাছেই তার সম্মান ছিল না। এটা বুঝতে পেরে তিনি আমাদের কাছে আসেন। ভালো হওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। পরে গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ তাকে থানার ওসির কাছে নিয়ে যাই। পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ভালো হওয়ার জন্য ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন। রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, গদাধর ভালো হয়ে যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সব ভালো কাজে পুলিশ সবার সঙ্গে আছে। এ জন্য ভালো পথে অনুপ্রাণিত করতে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact