আজ শনিবার, ১৭ Jul ২০২১, ১০:২৯ অপরাহ্ন

Logo
সংবাদ শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে ১৭দিনে করোনায় মৃত্যু ৭ ,আক্রান্ত ৭৭৭জন লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আহসান উল্যাহ হিরন গ্রেপ্তার নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে হতে পারে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী লঞ্চে যাত্রীর চাপ, স্বাস্থ্যবিধি উধাও লক্ষ্মীপুরে ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহন লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাঝে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরন বৃহস্পতিবার থেকে চলবে গণপরিবহন, খুলবে দোকানপাট লক্ষ্মীপুরে ‘খুঁজে খুঁজে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন সাংবাদিক জয়’ শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার ঠাকুরগাঁওয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক তানুকে গ্রেপ্তার,মুক্তির দাবী
জেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, চেয়ারম্যানসহ ২৭জনকে আসামী করে মামলা

জেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, চেয়ারম্যানসহ ২৭জনকে আসামী করে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরে পশ্চিম চররমনী মোহন এলাকায় জেলে আবদুস শহিদকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়ালসহ ২৭জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেছেন নিহতের স্ত্রী কুলছুম বেগম। মামলায় চররমনী মোহন ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আবু ইউসুফ ছৈয়াল ও তার ছেলে আবু সুফিয়ানসহ ১৩জনের নাম উল্লেখ করে আরো ১৫জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। রাতে সদর থানায় বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন আবদুস শহিদের স্ত্রী।

নিহতের স্বজন ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার পশ্চিম চররমনী এলাকার জেলে আবদুস শহিদ ১৪ জুন সোমবার রাত ১০টার দিকে শ^শুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। ওই এলাকার খাল পাড়ে সে পৌঁছলে আবদুল হক লাড়ীর ঘরে চুরির অভিযোগে আবদুস শহিদকে আটক করে গনধোলাই দেয় স্থানীয়রা।

এতে গুরুতর আহত অবস্থায় খালপাড়ে মৃতভেবে ফেলে যায়। এরপর সে বাড়িতে না যাওয়ায় খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে পরেরদিন সকালে সুপারী বাগানে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবার। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করার পর বুধবার বিকেলে মারা যায় আবদু শহিদ।

এদিকে নিহত আবদুস শহিদের মা ছকিনা বেগম ও নাছির উদ্দিন জানান, আবদুস শহিদকে চুরির অপবাধ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আবদুস শহিদ চুরি করেনি। তাকে মিথ্যা অপবাধ দিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়াল ও তার ছেলে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে ২৫/৩০জনের একদল মানুষ তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন তারা।
অপরদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাহজাহানসহ এলাকাবাসী জানান, আবদুস শহিদ এলাকার চিহিৃত চোর। আবদুল হক লাড়ীর ঘরে চুরির করার সময় তাকে হাতে-নাতে আটক করে আটক করে গনধোলাই দেয় স্থানীয়রা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ সুপার ড.এএইচএম কামরুজ্জামান জানান, আবদুস শহিদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২৭জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে পরিকল্পিত হত্যা না চুরির করার ঘটনায় গনপিটুনিতে মারা গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact