আজ রবিবার, ১৮ Jul ২০২১, ০৭:২১ অপরাহ্ন

Logo
সংবাদ শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে ১৭দিনে করোনায় মৃত্যু ৭ ,আক্রান্ত ৭৭৭জন লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আহসান উল্যাহ হিরন গ্রেপ্তার নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে হতে পারে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী লঞ্চে যাত্রীর চাপ, স্বাস্থ্যবিধি উধাও লক্ষ্মীপুরে ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহন লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাঝে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরন বৃহস্পতিবার থেকে চলবে গণপরিবহন, খুলবে দোকানপাট লক্ষ্মীপুরে ‘খুঁজে খুঁজে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন সাংবাদিক জয়’ শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার ঠাকুরগাঁওয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক তানুকে গ্রেপ্তার,মুক্তির দাবী
লকডাউন: লক্ষ্মীপুরে দিশেহারা নিম্ম আয়ের মানুষ, ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ

লকডাউন: লক্ষ্মীপুরে দিশেহারা নিম্ম আয়ের মানুষ, ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কঠোর লকডাউনে লক্ষ্মীপুরে হাট-বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সব বন্ধ। পাকা রাস্তাঘাট। পাশাপাশি রাস্তার দু-পাশে ছোট খাটো অনেক টং দোকান রয়েছে। সেগুলো রয়েছে বন্ধ। এসব দোকানদার দিনে যা বিক্রি করতেন, তা দিয়ে তাদের চলতো সংসার। এখন লকডাউনে সেটাও শেষ। এতে করে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। সবচেয়ে বেশি দু:চিন্তায় পড়েছেন তারা । তাদের দাবী, অনেকেই সরকারী খাদ্য সহায়তা এখনো পাইনি। আবার যারা পেয়েছেন,তাও আবার পর্যাপ্ত নয়।

লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাগবাড়ি এলাকার প্রধান সড়কের পাশে টং দোকান দিয়ে চা বিক্রি করতেন জহির উদ্দিন, লোকমান হোসেন ও আজাদ উদ্দিন। এ দোকানের আয় দিয়ে চলতো তাদের সংসার। কিন্তু গত কয়েকদিনের টানা কঠোর লকডাউনে বন্ধ রয়েছে দোকান। দোকান বন্ধ থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। তাদের প্রত্যেকের পরিবারে রয়েছে ৩/৫জনের সংসার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কথা হয়, এই তিনজনের সাথে, এসময় তারা জানান, কিস্তি ও দারদেনা করে সামান্য এই দোকান দিয়েছি। আর দোকানের আয় দিয়ে সংসার ও ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা চলতো। এখন লকডাউনে সব বন্ধ। কি করে কিস্তির টাকা পরিশোধ করব বা সংসার চালাবো। সবদিক অন্ধকার। চোখে-মুখে কিছুই দেখিনা। এ নিয়ে দু:চিন্তায় রয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোন সরকারী খাদ্য সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। একই অবস্থায় লক্ষ্মীপুর জেলার ৫টি উপজেলার কয়েক হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।

এছাড়া শহরের মান্দারী বাজারের বাসিন্দা হতদরিদ্র নুর মিয়া, চররমনীর কাশেম মিয়া ও চরবংশীর ছকিনা বেগম,আয়েশা বেগমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, লকডাইনে দোকানপাট,রাস্তাঘাট বন্ধ থাকায় হাজার হাজার খেটে খাওয়া শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন। সেই সঙ্গে জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত মানুষজন বাসা থেকে বের না হবার কারণে রিক্সা ও ইজিবাইক চালকরা গাড়ী নিয়ে বের হলেও যাত্রী পাচ্ছেন না। রাস্তাসহ অন্য জায়গায় কাজ করে সংসার চললেও এখন সব বন্ধ। ফলে কিভাবে সংসারে খরচ যোগাবেন তা নিয়ে হতাশার মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই সরকারী খাদ্য সহায়তা এখনো পাইনি। আবার যারা পেয়েছেন। তাও আবার পর্যাপ্ত নয়।

জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলছেন, ৫টি উপজেলা ও ৫৮টি ইউনিয়নের হতদরিদ্র পরিবারকে তালিকা করে ত্রান দেয়া হচ্ছে। এর আগে প্রতিটি ইউনিয়নে মানবিক সহয়তার জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ভিজিএফের প্রতি কার্ডের বিপরীতে ৪শ ৫০ টাকা করে দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে খেটে খাওয়া, অসহায়,দু:স্ত ও শ্রমজীবি মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন শুরু হয়েছে। কোন হতদরিদ্র বাধ পড়বেনা এ খাদ্য সহায়তা থেকে। এটি অব্যাহত থাকবে।


© স্বত্ব ২০২০ | About-US | Privacy-PolicyContact